আলোচক:
এলাহি আল আমনি
অফসি প্রধান,
জোনাইল ডিগ্রি কলজে।
ইসলামে ঈমান গ্রহণ কোনো আনুষ্ঠানকিতা বা মুখরে সাধারণ কথামালা নয়; বরং এটি মানবজীবনরে সবচয়েে বড় চুক্তি ও ঐশ্বরকি অঙ্গীকার। একজন মানুষ যখন তাঁর ববিকে ও সত্যবাদতিার ওপর ভর করে সাতটি মৌলকি বশ্বিাসরে (আল্লাহ, ফরেশেতা, আসমানী কতিাব, রাসুলগণ, পরকাল, তাকদীর ও পুনরুত্থান) ওপর সত্য সাক্ষ্য দয়ে এবং বল—ে”আমি মনেে নলিাম”, তখন সে শরিক ও অবশ্বিাসরে অন্ধকার থকেে মুক্ত হয়ে আল্লাহর কাছে সর্ম্পূণরূপে আত্মসর্মপণকারী বা ‘মুসলমি’-এ পরণিত হয়।
তবে এই স্বীকৃতি দওেয়ার পর যদি কউে আল্লাহর হুকুম ও বধিানকে অবহলো করে এবং অমান্য তবে সে মূলত নজিরে ওেয়া ওয়াদা ও সত্য সাক্ষ্যরে সাথইে বশ্বিাসঘাতকতা কর।ে এর ফলে তার ঈমানী অস্তত্বি চরম ঝুঁকতিে পড়ে যায় এবং পুনরায় খাঁটি তওবার মাধ্যমে আল্লাহর পথে ফরিে না এলে সে ঈমানহারা অবস্থায় নপিততি হয়।
নচিে কুরআন ও হাদসিরে স্পষ্ট নস (বাণী) দয়িে এই মূলনীতরি প্রতটিি ধাপ প্রমাণ করা হলো:
১. সত্যবাদতিা ও সত্য সাক্ষ্যই ঈমানরে প্রথম র্শত
ঈমান আনার র্পূবর্শত হলো মানুষকে অবশ্যই সত্যবাদী হতে হব।ে অন্তররে সত্যতা এবং সত্য সাক্ষ্য ছাড়া মুখে স্বীকার করার কোনো মূল্য আল্লাহর কাছে নইে।
> কুরআনরে দললি:
> “আল্লাহ বলছনে, আল্লাহকে ছাড়া তারা যাদরে কাছে দোয়া করে বা যাদরে পূজা কর,ে তাদরে কারো কোনো সুপারশি করার ক্ষমতা বা অধকিার নইে। কবেল তারাই সুপারশি করতে পারবে বা সুপারশি পাব,ে যারা জনে-েবুঝে সত্যরে (তাওহীদরে) সাক্ষ্য দয়িছে।ে” (সূরা “ঝুখরুফ” , আয়াত: ৮৬)
> হাদসিরে দললি:
> রাসুলুল্লাহ (সা.) বলছেনে: “যে ব্যক্তি মন থকেে সত্য জনেে সাক্ষ্যরে দবেে যে আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নইে এবং মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসুল, আল্লাহ তার জন্য জাহান্নাম হারাম করবনে।” (সহীহ বুখারী, হাদসি: ১২৮)
>
যে ব্যক্তি সত্যবাদী নয়, তার দওেয়া সাক্ষ্য মথ্যিা ও ভণ্ডামতিে রূপ নয়ে, যা মুনাফকেীর নামান্তর।
২. “মনেে নলিাম” বলা মানে আল্লাহর সাথে সুদৃঢ় অঙ্গীকার করা
ঈমানরে সত্য সাক্ষ্য দওেয়ার মাধ্যমে একজন বান্দা আল্লাহর সাথে এই র্মমে চুক্তবিদ্ধ হয় য,ে সে জীবনরে প্রতটিি ক্ষত্রেে একমাত্র আল্লাহর হুকুম মনেে চলব।ে
> কুরআনরে দললি:
> ” আর নশ্চিয়ই আহলে কতিাবদরে মধ্যে এমন কছিু লোক রয়ছে,ে যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে এবং যা তোমাদরে ওপর নাজলি করা হয়ছেে (কুরআন) আর যা তাদরে ওপর নাজলি করা হয়ছেলি (তাওরাত ও ইনজলি)—তার ওপর ঈমান আন।ে তারা আল্লাহর সম্মুখে বনিয়াবনত এবং আল্লাহর আয়াতসমূহকে সামান্য মূল্যে বক্রিি করে না। এদরেই জন্য তাদরে রবরে নকিট রয়ছেে তাদরে প্রাপ্য প্রতদিান। নশ্চিয়ই আল্লাহ দ্রুত হসিাব গ্রহণকারী।”(সূরা আল-ইমরান, আয়াত: ১৯৯)
>
কালমো পাঠরে মাধ্যমে মানুষ স্বীকার করে য,ে আল্লাহই তার একমাত্র শাসক ও বধিানদাতা। ফলে এই স্বীকারোক্তরি পর আল্লাহর বধিান অমান্য করার নতৈকি বা শরঈ কোনো সুযোগ থাকে না।
৩. হুকুম অমান্য করা ও ওয়াদা ভঙ্গ করার পরণিাম
যখন কউে ঈমানরে সাক্ষ্য দওেয়ার পর প্রকাশ্য অলসতা, গাফলিতি বা অবহলোয় আল্লাহর ফরজ নর্দিশে (যমেন—নামাজ, হালাল-হারামরে সীমারখো) অমান্য কর,ে সে মূলত নজিরে মুখরে অঙ্গীকার ভঙেে ফলে।ে এই ওয়াদা ভঙ্গ করাকে ইসলামে চরম অপরাধ ও ঈমান হারয়িে ফলোর মূল কারণ হসিবেে চহ্নিতি করা হয়ছে।ে
> কুরআনরে দললি:
সূরা আস সফ
২ নম্বর আয়াত: “হে মুমনিগণ! তোমরা এমন কথা কনে বল, যা তোমরা নজিরো কর না?”
৩ নম্বর আয়াত: “আল্লাহর নকিট এটি অত্যন্ত ক্রোধজনক/অপছন্দনীয় বষিয় য,ে তোমরা তা বল যা তোমরা কর না।”
> হাদসিরে দললি:
> রাসুলুল্লাহ (সা.) র্দ্ব্যথহীন ভাষায় বলছেনে:
> “বান্দার শরিক ও কুফররে মধ্যে র্পাথক্য হলো সালাত (নামাজ) ত্যাগ করা।” (সহীহ মুসলমি, হাদসি: ৮২)
>
এই হাদসি প্রমাণ করে য,ে ওয়াদা বা চুক্তি অনুযায়ী কাজ না করলে একজন মানুষ আর কুফররে মধ্যে কোনো বাহ্যকি র্পাথক্য থাকে না; সে তার নজিরে ঈমানী সীমানা লঙ্ঘন করে ছটিকে পড়।ে
৪. তওবা ও পুনরায় আল্লাহর হুকুমরে দকিে প্রত্যার্বতন
ওয়াদা ভঙ্গ করে হুকুম অমান্য করার মাধ্যমে যে ব্যক্তি ঈমানী ঝুঁকি ও গোনাহরে মধ্যে নপিততি হয়, তার জন্য আত্মকি মুক্তরি একমাত্র পথ হলো অনুসূচনা ও তওবা করা। তওবা না করা র্পযন্ত সে অপরাধী ও বপিদাপন্ন অবস্থাতইে থকেে যায়।
> কুরআনরে দললি:
> “হে মুমনিগণ! তোমরা সবাই আল্লাহর কাছে তওবা করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।” (সূরা আন-নূর, আয়াতরে শষোংশ: ৩১)
> কুরআনরে অপর আয়াত:
> “নশ্চিয়ই আল্লাহ তাদরে তওবা কবুল করনে, যারা অজ্ঞতাবশত মন্দ কাজ কর,ে অতঃপর শীঘ্রই তওবা কর।ে আল্লাহ এদরে তওবা কবুল করনে।” (সূরা আন-নসিা, আয়াত: ১৭)
>
মূল কথা
ঈমান কবেল একটি নষ্ক্রিয়ি বশ্বিাসরে নাম নয়, বরং এটি সত্য সাক্ষ্যরে মাধ্যমে অঙ্গীকার করা এবং কাজরে মাধ্যমে তার প্রমাণ দওেয়া। যে ব্যক্তি সত্য সাক্ষ্য দয়িে “মনেে নলিাম” বলল, তার জন্য আল্লাহর বধিান পালন করা আবশ্যক। যদি সে হুকুম অমান্য করে নজিরে ওয়াদা ভঙেে দয়ে, তবে সে তার ঈমানী অবস্থান হারায়। সইে ক্ষয়ষ্ণিু অবস্থা থকেে বাঁচতে হলে তাকে অবলিম্বে আল্লাহর দরবারে তওবা কর,ে নজিরে ভুলরে জন্য ক্ষমা চয়েে পুনরায় আনুগত্যরে অঙ্গীকারে ফরিে আসতে হব।ে এটইি কুরআন ও সুন্নাহর সরল ও স্পষ্ট পথ।