জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণীশিক্ষক’ নির্বাচিত হয়েছেন সেন্ট যোসেফসের অধ্যক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, মো: আলমগীর কবিরাজ
রাজশাহী বিভাগীয় পর্যায়ে‘ শ্রেষ্ঠ গুণীশিক্ষক’ নির্বাচিত হয়েছেন বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া সেন্ট যোসেফস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. ফাদার শংকর ডমিনিক গমেজ।জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ৫ অক্টোবর আজ সোমবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিতব্য অনুষ্ঠানে কলেজ পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণীশিক্ষক’ হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্র তারেক রহমানের হাত থেকে সন্মাননা পুরষ্কার গ্রহণ করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাযায়।তিনি চাটমোহর উপজেলার কাতুলী গ্রামে ১৯৭০ সালে জন্ম গ্রহণ করেন।
শিক্ষা বিস্তারে তাঁর দীর্ঘ দিনের দক্ষ নেতৃত্ব, শিক্ষার্থী বান্ধব কর্মকাণ্ড, নৈতিক মূল্য বোধের চর্চা এবংশিক্ষার্থীদের আলোকিত, মানবিক ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার নিরলস চেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ গৌরব অর্জন করেছেন। তাঁর এই সাফল্যে সেন্ট যোসেফস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলের মাঝে আনন্দ ও গর্বের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি ২০১৩ সালে সেন্ট টমাস বিশ্ববিদ্যালয়, ম্যানিলা থেকে এমএ ডিগ্রি,ডি’লাস্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ম্যানিলা, ফিলিপাইন থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১৯ সালের জানুয়ারী থেকে বর্তমান পর্যন্ত তিনি অধ্যক্ষ হিসেবে সেন্ট যোসেফস স্কুল এন্ড কলেজ, বনপাড়াতে কর্মরত রয়েছেন। তার কর্মময় জীবনে ২০২৪ সালের এইচএসসি’তে ৪৬৫ জনপরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৩ জন জিপিএ-৫ পেয়ে ৯৮% ও২০২৫ সালে ৪৮৯জনের মধ্যে ৪৩ জন জিপিএ-৫ পেয়ে ৮৩%পাশ করে। ২০২৫ সালের এসএসসি’তে ৩৪৬জনে রমধ্যে ৯০ জন জিপিএ-৫ পেয়ে ৯৪%ও ২০২৬ সালে ২৯৫জনের মধ্যে ৬৮ জন জিপিএ-৫ পেয়ে ৮৭%পাশ করে।
ড.ফাদার শংকর ডমিনিক গমেজের নেতৃত্বে সেন্ট যোসেফস স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষা, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও সহপাঠ্যক্রমিক শিক্ষাকার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের পাশা পাশি তাদের মানবিক মূল্যবোধ, দায়িত্ববোধ ও দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে তাঁর অবদান বিশেষ ভাবে প্রশংসনীয়।
তাঁর হাত ধরে শিক্ষার আলো আরও বিস্তৃত হবে এবং আগামী দিনের প্রজন্ম আলোকিত ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।