মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দৃশ্যমান কিছু করতে চাই : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক ::
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরজানা শারমীন পুতুল বলেন, মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দৃশ্যমান কিছু করতে চাই। দেশের প্রত্যেকটি মানুষ যাতে বলতে পারে আমরা ভালো আছি। উন্নয়ন কর্মকান্ডে কোন রকম দুর্নীতি যেন না হয় সে ব্যাপারে আমরা সোচ্চার আছি। প্রত্যেকটি মানুষের কাছে সরকারের সুযোগ সুবিধা গুলো পৌঁছে যাবে। তিনি বলেন, পাঁচ বছর খুব অল্প সময়। সরকার যে সব কাজে হাত দিয়েছে তা আমরা শেষ করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। আপনারা আমাদেরকে সহযোগিতা করেন। তিনি আরো বলেন, খুব শীঘ্রই ঈশ্বরদী বিমান বন্দর চালু করা হবে। এব্যাপারে কাজ করছি। এটি চালু হলে এলাকায় দেশি বিদেশি বিনিযোগ বাড়বে। এতে কর্ম সংস্থান বাড়বে।
শনিবার নাটোরের লালপুর উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে বীজ, সার, বৃক্ষের চারা ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফরজানা শারমীন পুতুল এসব কথা বলেন।
উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রীতম কুমার হোড়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পু, গোপালপুর পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম মোলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিলমাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ছিদ্দিক আলী মিষ্টু এবং ঈশ্বরদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঈশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ রনজু।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ১ হাজার ৫০০ জন কৃষকের মধ্যে উফসী রোপা আমন ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার এবং ১ হাজার ২০০ জন কৃষকের মধ্যে গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হবে। এছাড়া ১৩১টি প্রতিষ্ঠানে মোট ৩ হাজার ৮৫০টি ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণের পাশাপাশি জৈব সার ও বাঁশের খুঁটি সরবরাহ করা হবে।
প্রণোদনার আওতায় প্রতিটি আমন চাষী পাবেন ৫ কেজি উফসী রোপা আমন ধানের বীজ, ১০ কেজি এমওপি সার এবং ১০ কেজি ডিএপি সার। অন্যদিকে প্রতিটি শাকসবজি চাষী পাবেন ৩০০ গ্রাম শাকসবজির বীজ, ১৫ কেজি এমওপি সার এবং ১৫ কেজি ডিএপি সার।
একই অনুষ্ঠানে উপজেলার ১৫টি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে মোট ৫ লাখ ৫ হাজার টাকার চেকও বিতরণ করা হয়।