আষাঢ়

নাজমা নাহার মাধবী

তপ্ত তরুর তৃষিত ছায়ায়
আষাঢ়ের ঘনঘটা,
পুলকিত আর বিমোহিত হৃদে
স্বস্তির আলোকচ্ছটা।

রৌদ্র দাহে বৃক্ষ তরুর
নির্মম পত্ররাশি
আষাঢ়ের পানে খুঁজে পেতে চায়
নব জীবনের হাসি।

গুরু গম্ভীর গর্জনে তাই
আষাঢ়ের আগমন
ধরণীর পরে প্রকৃতির তরে
উঠে বর্ষার গুঞ্জন।

রিক্ত শূন্য তরুশাখে জাগে
নব জাগরণ হাসি,
তৃষিত মরুর তপ্ত ভূমে
বারিধারা যায় ভাসি।

নব উদ্যমে প্রান্তর—মাঠ
গিরি শৈল ভূধর,
তৃপ্ত করে অবনীর পরে
তটিনী সিন্ধু সাগর।

বর্ষা রাণীর একটি বৃন্তে
দুইটি পুষ্পরাশি
আষাঢ়—শ্রাবণ দুই সহোদর
তারই জলরাশি।

শান্ত শীতল শুভ্র সমীর
আষাঢ়ের প্রণোদনা,
শ্রাবণে মিশে তারই সুর —গীত
বর্ষার আনাগোনা।

শুভ্র বেশে সলিল আসে
নিভৃতে নির্জনে,
শান্ত প্রকৃতির স্তব্ধ নীড়ে
আষাঢ়ের গগনে।